১। অদ্য ১৩ মার্চ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা
৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের নতুনপাড়া বিওপির আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ৬৬/২-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার
নতুনপাড়া বাশবাগান নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন নতুনপাড়া বিওপি কমান্ডার
হাবিলদার মোঃ আবুল কালাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের বানপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই চটিলাল।
২। অদ্য ১৩ মার্চ তারিখ আনুমানিক
সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের নিমতলা বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার
দামুড়হুদা থানার আইসিপি নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন নিমতলা বিওপি কমান্ডার
হাবিলদার মোঃ লুৎফর রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্প কমান্ডার এসআই অশ্বীন কুমার।
৩। অদ্য ১৩ মার্চ তারিখ আনুমানিক
সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের মদনা বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৩/৪-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর
চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার ছোট বলদিয়া মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি
কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে
নেতৃত্ব দেন মদনা বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ মতিউর রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ
এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কৃষ্ণপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই সুরেন্দার
শিং।
৪। অদ্য ১৩ মার্চ তারিখ আনুমানিক বিকাল
০৪টা হতে ০৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ঠাকুরপুর বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৪/৬৫-টি এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর
চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার ছোট বলদিয়া মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী
কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে
নেতৃত্ব দেন ঠাকুরপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ
বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কাদিপুর কোম্পানী কমান্ডার ইন্সেপেক্টর
হিলমন হারেন্দ্র।
৫। উপরে
উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায়
থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না
আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত
পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়।
পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।