১। অদ্য ১৮ মার্চ তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯টা ৩০
মিনিট হতে ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের গয়েশপুর বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৬৮/১-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার জীবননগর থানার কুলোপাড়া নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে
পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন গয়েশপুর
কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ ইয়াকুব আলী এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বানপুর ক্যাম্প কমান্ডার এএসআই চটেলাল।
২। অদ্য ১৮ মার্চ তারিখ আনুমানিক সকাল
১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের দারিয়াপুর বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ১১২ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর
জেলার মুজিবনগর থানার শরান মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে
পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন দারিয়াপুর
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ গিয়াস উদ্দিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিটারপাড়া ক্যাম্প কমান্ডার এসআই সুব্রত সাহা ।
৩। অদ্য ১৮ মার্চ তারিখ আনুমানিক সকাল
১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের নাজিরাকোনা বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ১০৯ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর
জেলার মুজিবনগর থানার নাজিরাকোনা মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন নাজিরাকোনা
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মিজানুর রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন
৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাথরঘাটা ক্যাম্প কমান্ডার এসআই আব্দুল গফ্ফার ।
৪। অদ্য ১৮ মার্চ তারিখ আনুমানিক সকাল
১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বারাদি বিওপির
আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮২/১৪-টি এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার দামুড়হুদা থানার বারাদি মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন বারাদি
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ কাজী শাহিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোবিন্দপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই পোতাপ সিং ।
৫। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে
উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না
কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না
হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে
শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।

