১। অদ্য ০৩ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক সকাল ০৮ টা হতে ০৮ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের মুজিবনগর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ১০৯ এর
নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার তালতলা নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা
বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন মুজিবনগর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ আবু
তাহের এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাথরঘাটা
ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর জগদিশ প্রসাদ।
২। অদ্য ০৩ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক সকাল ১০ টা হতে ১০ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ঠাকুরপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৬/১-আর
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগার জেলার দামুড়হুদা থানার ঠাকুরপুর নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা
বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ শফিকুল আলম
এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মালুয়াপাড়া ক্যাম্প
কমান্ডার ইন্সপেক্টর এসএন শর্মা।
৩। অদ্য ০৩ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৫ টা হতে ০৫ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের দর্শনা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর
নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগার জেলার দামুড়হুদা থানার আইসিপি নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা
বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন দর্শনা কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ রবিউল
ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই বলজিৎ সিং।
৪। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
৪। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
