১। অদ্য ০৪ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯ টা হতে ০৯ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের জগন্নাথপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৯৫/৩-এস
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার হুদাপাড়া বাঁশবাগান নামক
স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা
বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন জগন্নাথপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আবুল কালাম
এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোংরা ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই রাজেন্দ্র প্রসাদ।
২। অদ্য ০৪ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক সকাল ১০ টা হতে ১০ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বেনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৬২/৯-এস
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগার জেলার জীবননগর থানার হরিহরনগর নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন বেনীপুর বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ মোসলেম
উদ্দিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৭৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নোনাগঞ্জ
ক্যাম্প কমান্ডার এসআই বলবন্দোর শিং।
৩। অদ্য ০৪ জুন ২০১৫
তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৪ টা হতে ০৪ টা ৪০ মিনিট পযন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের রাজাপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭২/১-এস
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার মানিকপুর মাঠ নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন রাজাপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ মিন্টু সরকার এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে আমবাগান ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই জীতেন্দ্র সিংহ ।
৪। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
৪। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
