১। অদ্য ০৭
এপ্রিল ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা ৩০ মিনিট হতে ১১টা ১০
মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের নতুনপাড়া
বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৬৫/২ এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার জীবননগর থানার নতুনপাড়া আমবাগান নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব
দেন নতুনপাড়া বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর
পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ খেজুরবাগান ক্যাম্প কমান্ডার এসআই সুরেন্দার শিং ।
২। অদ্য ০৭
এপ্রিল ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১টা হতে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ঠাকুরপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৬/১২টি
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুরহুদা থানার চাকুলিয়া নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা
বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোঃ শফিকুল
ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ মালুয়াপাড়া ক্যাম্প কমান্ডার আরএন মন্ডল ।
৩। অদ্য ০৭
এপ্রিল ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১টা ৩০ মিনিট হতে ১২টা ১০ মিনিট
পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের মদনা বিওপির
দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৪/১৪ আর এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার দামুরহুদা থানার দুমবাড়ী ঘাট নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন
মদনা বিওপি কমান্ডার নাঃ সুবেঃ মোঃ খায়রুল কালাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে
নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ কাদিপুর ক্যাম্প কমান্ডার এএসআই জেসি দাস ।
৪। অদ্য ০৭
এপ্রিল ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১টা ৩০ মিনিট হতে ১২টা ১০
মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আনন্দবাস
বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ১০৩ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর
জেলার মুজিবনগর থানার কাকমারী মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন আনন্দবাস
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আবুল কালাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৯ বিএসএফ ডাকুদা ক্যাম্প কমান্ডার এএসআই হুসিয়ার সিং ।
৫। উপরে
উল্লেখিত পতাকা বৈঠকে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা,
তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা,
নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত
পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
