১। অদ্য ২৬ মে ২০১৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা
৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের রাজাপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার
মেইন পিলার ৭১/১-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার রাজাবান্দাল
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন রাজাপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ
লুৎফর রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে
আমবাগান ক্যাম্প কমান্ডার এসআই আর এন মন্ডল।
২। অদ্য ২৬ মে ২০১৬ তারিখ
আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের হুদাপাড়া
বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৯৪/৪-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার দামুড়হুদা থানার হুদাপাড়া মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন হুদাপাড়া
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ হামিদুল ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের হাটখোলা ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কেডি মনি।
৩। অদ্য ২৬ মে ২০১৬ তারিখ আনুমানিক
সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ধোপাখালী বিওপির
দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭০/৩২-টি এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার
জীবননগর থানার মাধবখালী আমবাগান নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে
পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ধোপাখালী
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আব্দুর রহিম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মেটেরী ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কিষ্টপার খেজুর।
৪। অদ্য ২৬ মে ২০১৬ তারিখ
আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আনন্দবাস
বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ১০০ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার
মুজিবনগর থানার আনন্দবাস মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে
পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন আনন্দবাস
বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে
নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভাতগাছী ক্যাম্প কমান্ডার এসআই আর ভি ব্রহ্মন।
৫। উপরে
উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায়
থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না
আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত
পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়।
পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।