১। অদ্য ২৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে
১০টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের শৈলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১৩০/৩-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর
থানার শৈলমারী মালুয়াপাড়া নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন শৈলমারী বিওপি
কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নেরে নন্দনপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই নরেশ চাদ।
২। অদ্য ২৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে
১০টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বুড়িপোতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১১৬ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর থানার
খালপাড়া নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন বুড়িপোতা বিওপি কমান্ডার নায়েব
সুবেদার মোঃ মতিউর রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নেরে নাটনা ক্যাম্প কমান্ডার এসআই নরেশ কুমার।
৩। অদ্য ২৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৩টা
৩০মিনিট হতে ০৪টা ৩০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আনন্দবাস বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১০৩/১-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার
কাকমারি মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন আনন্দবাস বিওপি
কমান্ডার হাবিলদার মোঃ ওয়াজেদ আলী এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৮১
বিএসএফ ব্যাটালিয়নেরে ব্রাম্ননগর ক্যাম্প কমান্ডার এএসআই শংকর পুর্তি।
৪। অদ্য ২৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৫টা হতে
০৫টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের শৈলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১২৯/৫-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর
থানার শৈলমারী মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন শৈলমারী বিওপি কমান্ডার
নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫
বিএসএফ ব্যাটালিয়নেরে খাঞ্জিপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসসি পিকে শোবলা।
৫। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের
সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত
হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং
অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ
হয়।