১। অদ্য ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা
হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আনন্দবাস বিওপি দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১০৬/১-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর
থানার কাকমারী নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন আনন্দবাস বিওপি কমান্ডার
হাবিলদার মোঃ গিয়াস উদ্দিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের ব্রম্ননগর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কাসিরাম সিংহ।
২। অদ্য ১৩
ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বর্ডার গার্ড
ব্যাটালিয়নের ফুলবাড়ী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৮৫/২৪-টি এর নিকট
শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার ফুলবাড়ী নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ফুলবাড়ী বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ কাজী শাহিন এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের হরেন্দ্রপুর ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই আরকে পুরহা।
৩। অদ্য ১৩
ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক দুপুর ০৩টা হতে ০৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বর্ডার গার্ড
ব্যাটালিয়নের নিমতলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর নিকট শুন্য রেখা
বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার আইসিপি নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি
কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে
নেতৃত্ব দেন সুলতানপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ লুৎফর রহমান এবং প্রতিপক্ষ
বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্প কমান্ডার এসআই রহিত
শর্মা।
৪। অদ্য ১৩
ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৪টা হতে ০৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত বর্ডার গার্ড
ব্যাটালিয়নের সুলতানপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর নিকট শুন্য
রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার বাবলাতলা নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি
কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে
নেতৃত্ব দেন সুলতানপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আব্দুর রহিম এবং প্রতিপক্ষ
বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের হালদারপাড়া ক্যাম্প কমান্ডার
এসআই এখলাস চন্দ্র।
৫। উপরে
উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায়
থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না
আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত
পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়।
পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।