১। অদ্য ১১ মে ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯টা হতে ০৯টা
৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বারাদি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার
মেইন পিলার ৮২/১৪-টি এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার লেওলা
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন বারাদি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ খলিলুর
রহমান এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোবিন্দপুর
ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কুমার কেরা নিয়াছ।
২। অদ্য ১১ মে ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা
৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ইছাখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার
মেইন পিলার ১২২/১-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর থানার ইছাখালী
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ইছাখালী বিওপি কামান্ডার হাবিলদার
মোঃ শামছুল আরেফিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের বেতাই ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর সিআর কুজুর।
৩। অদ্য ১১ মে ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা
৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ফুলবাড়ী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার
মেইন পিলার ৮৫/২৪-টি এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার ফুলবাড়ী
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ফুলবাড়ী বিওপি কামান্ডার নায়েব
সুবেদার মোঃ মোস্তফা সরকার এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের হরেন্দ্রেপুর ক্যাম্প কমান্ডার এসআই জগদিস প্রসাদ।
৪। অদ্য ১১ মে ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা
৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের শৈলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার
মেইন পিলার ১২৯/৫-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর থানার শৈলমারী
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন শৈলমারী বিওপি কামান্ডার নায়েব
সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের খানজিপুর ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর আরপি তেয়ারী।
৫। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে
উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না
কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না
হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে
শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।