১। অদ্য ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা
হতে ১০টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের শৈলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ১২৯/৫-এস এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর
থানার শৈলমারী বেলতলা মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন শৈলমারী বিওপি কমান্ডার
হাবিলদার মোঃ আব্দুর রহিম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের খান্জীপুর ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর বলদীপ শিং ।
২। অদ্য ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা
হতে ১০টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ঠাকুরপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ
এলাকার মেইন পিলার ৯০ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার ঠাকুরপুর
মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ঠাকুরপুর বিওপির কমান্ডার নায়েব সুবেদার
মোঃ ইসলাম উদ্দিন এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নের রাংগেরপোতা ক্যাম্প কমান্ডার এসআই কেডি মিনা।
৩। অদ্য ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ
আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের রাজাপুর
বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭২ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার
দামুড়হুদা থানার রাজাপুর মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে
পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন রাজাপুর
বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ মোরশেদ আলম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব
দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে আমবাগান ক্যাম্প কমান্ডার এসআই অশীম কুমার।
৪। অদ্য ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ
আনুমানিক সকাল ১০টা ৩০ মিনিট হতে ১১টা ১০ মিনিট পযর্ন্ত বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের
জগন্নাথপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৯৬ এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা
জেলার দামুড়হুদা থানার হুদাপাড়া মাঠ নামক স্থানে বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার
পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন জগন্নাথপুর
বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে
নেতৃত্ব দেন ৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোংড়া ক্যাম্প কমান্ডার এসআই এমকে জিপিসি।
৫। উপরে উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে
উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকা, তারকাটার বেড়া না
কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না আসা, নারী ও শিশু পাচার না
হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে
শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।



