১। অদ্য ২১
সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯টা ৩০ মিনিট হতে ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের মেদেনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৬২/৯-এস
এর নিকট শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার ফার্ম নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন মেদেনীপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৭৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পুটিখালী ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই পুষি বাবু।
২। অদ্য ২১ সেপ্টেম্বর
২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা মিনিট হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার গার্ড
ব্যাটালিয়নের রাজাপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭২/১-এস এর নিকট
শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার মানিকপুর মাঠ নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন রাজাপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ দিলবর রহমান এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে আমবাগান ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই বলজিৎ শিং ।
৩। অদ্য ২১
সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা হতে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ৬ বর্ডার
গার্ড ব্যাটালিয়নের নিমতলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর নিকট
শুন্য রেখা বরাবর চুয়াডাংগা জেলার দামুড়হুদা থানার আইসিপি নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন নিমতলা বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ শওকত আলী এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই ওএম রেডি।
৪। অদ্য ২১
সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টা ৩০ মিনিট হতে ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৬
বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের শ্রীনাথপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মেইন পিলার ৭৬ এর
নিকট শুন্য রেখা বরাবর ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার শ্রীনাথপুর নামক স্থানে
বিজিবি-বিএসএফ বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে
বিজিবি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন শ্রীনাথপুর বিওপি কমান্ডার হাবিলদার মোঃ আব্দুল মতিন এবং
প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৭৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সুটিপুর ক্যাম্প
কমান্ডার এসআই অভয়নগর।
৫। উপরে
উল্লেখিত পতাকা বৈঠক সমূহে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায়
থাকা, তারকাটার বেড়া না কাটা, ভারত হতে কোন মাদকদ্রব্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে না
আসা, নারী ও শিশু পাচার না হওয়া এবং অবৈধভাবে কোন বাংলাদেশী/ভারতীয় নাগরিক সীমান্ত
পারাপার না হয় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়। পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।
